০৭ অক্টোবর, ২০২০ ০৭:৫৫ পিএম

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই নারী বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই নারী বিজ্ঞানী
ছবি: নিউইয়র্ক টাইমস

মেডিভয়েস রিপোর্ট: জিন সম্পাদনার কৌশল আবিষ্কার করে এ বছর যৌথভাবে রসায়নে নোবেল জিতেছেন ফরাসি বিজ্ঞানী ইমানুয়েল কার্পেন্টার শারপঁসিয়ে ও মার্কিন বিজ্ঞানী জেনিফার এ ডাউডনা। রাসায়ন শাস্ত্রে এবারই প্রথম পুরুষ সহকর্মী ছাড়া শুধুমাত্র দুই নারী নোবেল জিতেছেন।

আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল প্রায় পৌনে ৪টায় দ্য রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। নোবেল কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, জিন সম্পাদনার কৌশল উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন ইমানুয়েল শারপঁসিয়ে ও জেনিফার এ ডাউডনা। তারা জিন সম্পাদনার জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সুক্ষ্ম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। নিজেদের উদ্ভাবিত জেনেটিক সিজর (সিআরআইএসপিআর/সিএএস-নাইন) বা জেনেটিক কাঁচি ব্যবহার করে তাঁরা বিভিন্ন প্রাণী, উদ্ভিদ ও অণুজীবের ডিএনএ খুবই দক্ষতার সঙ্গে ও নির্ভুলভাবে পরিবর্তন করেছেন। প্রাণীবিজ্ঞানের ওপর তাঁদের উদ্ভাবিত এই প্রযুক্তির প্রভাব অকল্পনীয়। এ বিশেষ অবদানের জন্য নোবেল কমিটি তাঁদের এ বছরের নোবেল বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

শারপঁসিয়ে তাঁর এ সম্পর্কিত গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশ করেন ২০১১ সালে। একই বছর তিনি জেনিফার এ ডাউডনার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেন। আরএনএ সম্পর্কে বিষদ জ্ঞানের অধিকারী অভিজ্ঞ প্রাণরসায়নবিদ ডাউডনার সঙ্গে তাঁর এ মেলবন্ধন প্রাণের ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা দুজন ব্যাকটেরিয়ায় থাকা এই জেনেটিক কাঁচি টেস্ট টিউবে পুনরুৎপাদন করেন এবং ব্যবহারের সুবিধার জন্য এর আণবিক গঠনকে আরও সরলীকরণ করেন। পরে তাঁরা এই জেনেটিক কাঁচি বা সিজরের ধরনে বদল আনেন, যা সবাইকে এক নতুন যুগের দিশা দিল বলে ধরে নেওয়া যায়

মরণ রোগ ক্যানসার চিকিৎসায় এই প্রযুক্তি এরই মধ্যে বড় অবদান রেখেছে, যা ভবিষ্যতে বিশ্ববাসীকে এমনকি বহুল প্রতীক্ষিত সুসংবাদও দিতে পারে। এ ছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া রোগের চিকিৎসায়ও এই প্রযুক্তি আশার আলো দেখাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ বিষয়ে নোবেল কমিটি ফর কেমিস্ট্রির চেয়ারপারসন ক্লেস গুস্তাফসন বলেন, ‘এই জেনেটিক হাতিয়ারটির ভীষণ শক্তিশালী, যার সরাসরি প্রভাব রয়েছে আমাদের সবার ওপর। এ আবিষ্কার শুধুমাত্র বিজ্ঞানেই বিপ্লব আনেনি, সঙ্গে নিয়ে এসেছে বহু নতুন সফল চিকিৎসাপদ্ধতির সম্ভাবনা।’

ইমানুয়েল শারপঁসিয়ে ১৯৬৮ সালে ফ্রান্সের জুভিসি সুর অর্গে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৫ সালে প্যারিসের পাস্তুর ইনস্টিটিউট থেকে পিএইচডি করা এমানুয়েল এখন জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অবস্থিত ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর দ্য সায়েন্সেস অব প্যাথোজেনস এর পরিচালক হিসেবে কর্মরত। নোবেলজয়ী অপর মার্কিন বিজ্ঞানী জেনিফার এ ডাউডনা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। ১৯৬৪ সালে জন্ম নেওয়া ডাউডনার যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল, বোস্টন থেকে পিএইচডি করেছেন। 

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন
মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও
একদিনেই অবস্থান বদল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও